বিশেষ প্রতিবেদক
২৫ অক্টোবর, ২০২৬, 9:18 PM
দুদকের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে কর্মকর্তাদের হয়রানির অভিযোগ
ভূমি অফিসসহ মাঠ প্রশাসনে উদ্বেগ, নিরপেক্ষ তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নাম ও বিভিন্ন কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ভূমি অফিসগুলোকে কেন্দ্র করে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অভিযোগ প্রশাসনিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
অভিযোগ রয়েছে, তদবিরবাজ ও দালালরা কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক বা অসত্য অভিযোগ তৈরি করে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে থাকে। ফলে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা অযথা চাপ, পেশাগত অনিশ্চয়তা ও মানসিক হয়রানির মুখে পড়ে থাকে। তবে এসব অভিযোগের কোন ভিত্তিই ও সত্যতা নেই।
এ প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট মো.সিরাজুল ইসলাম (বাবু) এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ পরিচালক মো.আল আমিন প্রধানের (অনুসন্ধান ও তদন্ত-০১) এম্বুস করা স্বাক্ষরের সীল ব্যবহার করে বিভিন্ন ভূমি তহসিল অফিল গুলোতে পাঠিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। তাতে তহসিল অফিসসহ ভূমি দপ্তর গুলোর মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ, উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা তৈরী হচ্ছে। ফলে সরকারের রাজস্ব আহরন বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।এধরনের চক্রের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারকে তড়িৎ ব্যবস্থা নিতে হবে।না হলে মাঠে রাজস্ব যোদ্ধাদের মনোবল হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিবে এবং রাজস্ব আদায় প্রশ্নের সম্মূখীন হবে।
অভিযোগকারীদের একটি অংশের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যু ও ভূমিসংক্রান্ত বিরোধে স্বার্থান্বেষী মহলের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগের প্রকৃত উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং কোনো অসৎ স্বার্থে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে কি না তা গভীর ভাবে পর্যবেক্ষনের এখনই সময়।
সরকারকে বিপাকে ফেলা এবং কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরী করাই এদের মূখ্য উদ্দেশ্য।
এক্ষেত্রে, সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিজ নামের যে কোন ধরনের কঠোর ভাবে সংরক্ষেনের নির্দেশনা খুবই জরুরী। না হলে দিন দিন বৈরিতা বেড়েই চলবে।