ঢাকা ০৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রিমিয়ার ব্যাংকের জালিয়াতিতে সংকটে ২৬ পোশাক কারখানা ডেমরায় শিপু মেকওভার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন কিশোর গ্যাংয়ের নিয়ন্ত্রণে মাদক পতিতা ব্যবসা : হাজারীবাগে কয়েকজন গ্রেফতার পুলিশ সপ্তাহ শুরু আগামীকাল অভয়নগর উপজেলা সমিতি, ঢাকা'র আত্মপ্রকাশ হাবিব বেপারী মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত *আইজিপির সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ* বগুড়া জার্নালিস্ট ফোরাম এর নয়া কমিটি ফেরদৌস মামুন সভাপতি, সুমন প্রামাণিক সাধারণ সম্পাদক কাজলকে ৫৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হিসেবে পেতে মরিয়া - ৫৯নং ওয়ার্ডবাসী উন্নয়নশীল, নিরাপদ ২নং ওয়ার্ড গড়তে- কাউন্সিলর হিসাবে’ ইকবাল এর- বিকল্প নাই : এলাকাবাসি

ভাল থাকুক সকল শ্রমজীবি শিশু: সোনিয়া হোসেন

#

জাহিদুল ইসলাম শিশির

০১ মে, ২০২৬,  10:43 PM

news image

মহান মে দিবসে আন্তর্জাতিক  সম্প্রদায়ের ও জাতীয় পর্যায়ে সরকারের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক সামাজিক ,সাংস্কৃতিক এবং পেশাজীবি সংগঠনগুলো সারাদিন মাঠে সক্রিয় ছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ  দিনে শ্রমিকদের নিয়ে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন।বলেছেন বিগত ফ্যাসিস্টরা দেশের শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল।তিনি বন্ধ কারখানা খুলে দেয়াসহ শ্রমিকদের জন্য সম্মানজনক কর্মপরিবেশ গড়ে তোলার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন খেটে খাওয়া মানুষ খেয়ে ভাল থাকলে ভাল থাকবে বাংলাদেশ। 

শ্রমিক অধিকারের মহান এই দিনে শিশু শ্রমিকদের সুন্দর জীবনের প্রত্যাশা আর তাদের জন্য করনীয় কী হতে পারে তা নিয়ে কথা বলেছেন প্রখ্যাত শিশু কথা সাহিত্যিক বাংলার শিশু পরিবারের সম্মানীত সভাপতি সোনিয়ো হোসেন। দৈনিক কালের ছবি’র সাথে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে কবি,লেখক, সাহিত্যিক, সমাজ গবেষক ও সংগঠক  সোনিয়া হোসেন কামনা  করেছেন সকল শ্রমজীবি শিশুর নিশ্চিত ও আনন্দময় ভবিষ্যৎ। দৈনিক কালের ছবিকে দেয়া সেই সাক্ষাৎকারটি   এখানে তুলে দেয়া হলো......... 

দৈনিক কালের ছবি : কেমন আছেন। আমরা জানি আপনি শিশু কিশোরদের নিয়ে ভাবেন। তাদের নিয়ে বই লিখেছেন। তাদের ভবিষ্যতের জন্য সামাজিক সংগঠন করে কাজ করছেন। মহান মে দিবসের এ শুভক্ষণে শ্রমজীবি শিশুদের নিয়ে আপনার অনুভূতির কথা বলুন।   

সোনিয়া হোসেন : ভাল আছি আলহামদু লিল্লাহ। আপনারা ভাল আছেন তো ? হ্যা, আমি শিশু কিশোরদের নিয়ে বেশ আগে থেকেই লেখালেখি করছি। আপনারা জানেন, আমার বেশ কয়েকটি বই বাজারে আছে। এদের মধ্যে ‘টিনএজদের বলছি’ বইটি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আপনারা জানেন, শিশু বা কৈশর কিন্তু শুধু স্বপ্নের সময় নয়, অনেক সময় কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ারও বয়স এটি।

আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় অনে শিশুই তাদের যখন স্কুলের আনন্দময় সময়ে ক্লাসে থাকার কথা, সেই বয়সেই অনেককেই সংসারের হাল ধরতে বাধ্য হতে হয়। এই শ্রমজীবি শিশুদের মধ্যে অনেকেই অমিত সম্ভাবনাময়ী থাকে। কিন্তু সামান্য  সুযোগের অভাবে সেই অমিত সম্ভাবনাময়ী প্রতিভাটি চির তরে হারিয়ে যায়। এই যে হারিয়ে যাওয়া! এটি কিন্তু শুধূ একজন শিশুর ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ক্ষতি নয়, এটি একটি জাতির জন্য বিরাট ক্ষতির কারণ। আপনারা জানেন, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

তিনি একটি অতি সাধারণ ঘরে  জন্ম নিয়েছিলেন। শিশু বয়সেই জীবনের প্রয়োজনে রুটির দোকানে কাজ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। তার পর একজন হৃদয়বান পুলিশ কর্মকর্তার স্নেহধন্য হয়েছিলেন। যা একজন দুখু মিয়া নজরুলকে  কাজী নজরুল ইসলামে পরিনত করার পথ খুলে দিয়েছিল। সেই সামান্য সুযোগে বাংলাসাহিত্য পেয়েছে বিপুল অবদান। আমরা পেয়েছি আমাদের জাতীয় কবিকে।

আজকের বাস্তবতায় আমাদের দেশে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা একেবারেই নগন্য নয়। এদের মধ্যে হয়তো এমন কোন প্রতিভা লুকিয়ে আছে । আমরা যেন সেই সব সম্ভাবনাকে আমাদের কোন অবহেলার কারণে হারিয়ে না ফেলি । মহান মে দিবসের এ শুভ ক্ষণে এটাই আমার অনূভূতি। 

দৈনিক কালের ছবি :  শিশু শ্রম বলতে আপনি কী বোঝাতে চান 

 সোনিয়া হোসেন:  অনেকেই শিশু শ্রমের অনেক সংজ্ঞা দিতে পারেন। আমি যা বুঝি তা হচ্ছে শিশু বয়সে এজনকে শারিরিক শ্রম দিতে বাধ্য করাকে শিশু শ্রম বলে ধরে নেয়া যায়। কারণ আপনাকে বুঝতে হবে, একজন শিশু কোন অবস্থাতেই একান্ত বাধ্য না হলে আনন্দচিত্তে শ্রম দিতে চাইবে না। সে বাধ্য হয়, তার হয়তো অন্য কোন উপায় থাকে না। তাই সে শ্রম দিতে শুরু করে। আপনারা জানেন, শিশুরা কত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের সাথে নিজেদেরকে জড়িয়ে নিতে বাধ্য হয়।

কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি  আছে এমনসব খাতেও শিশুরা জড়িয়ে যায়। যা কোন ভাবে কাম্য না হলেও আমাদের বাস্তবতায় তা নেমে নিয়েই সামনে এগোনার উপায় খুঁজতে হচ্ছে। দেখুন, শিশুরা কাজ করছে, কারখানায়, ইট ভাটায়, হোটেল রেস্তোরায়, মানুষের বাসাবাড়ীতে, বাস, টেম্পু, লঞ্চ স্টিমার, নির্মাণযজ্ঞের মতো সব ঝুঁকিপূর্ণখাতে। এখান থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টার পাশাপাশি এইসব কর্মজীবি  বা  পথ শিশু হিসেবে আমরা যাদের জানি তাদের জন্য সুন্দর কিছু হোক, সেটা সরকার,সমাজ, বা ব্যক্তির উদ্যোগে, এমনই প্রত্যাশা নিয়ে অপেক্ষা করি, শিশুদের জন্য ভাল কিছু হয়েছে বা হচ্ছে এমন কোন খবর শোনার জন্য।

দৈনিক কালের ছবি : কর্মজীবি বা পথ শিশুদের জন্য আপনার চাওয়া সম্পর্কে যদি জানান



সোনিয়া হোসেন : দেখুন,  আমরা যারা সমাজের সুবিধাজনক অবস্থায় আছি তাদের সবার কিছু দায়  আছে এই সমাজের প্রতি। যে সন্তানটি জীবনের কোন এক অজানা কারণে শ্রমজীবির কাতারে নাম লিখিয়েছে, বা যে সন্তানটি রাস্তায বড় হচ্ছে তারা কিন্তু আমাদের সমাজরে একটি অংশ। এদেরকে যেন কোন ভাবেই আমরা বোঝা না ভাবি।  এই সব শিশু কিশোর যারা রয়েছে তাদের জন্য আমার চাওয়ার তাালিকা অনেক। হয়তো এ সবের অনেক কিছু কোন না কোন ফরমেটে কেউ কেউ করে চলেছেনও। কিন্তু যথেষ্ট নয়। 

আমি চাই- 

১. সরকারের উদ্যোগে ঢাকাসহ সারা দেশের জেলা শহরগুলোতে একটি করে আবাসিক হোস্টেল হোক। যে সকল শিশু কিশোর কাজে জড়িত বা যারা রাস্তায় ঘুমায় তারা যেন সেই হোস্টেলে বসবাসের সুযোগ পায়। 

২. একই ভাবে তাদের জন্য আলাদা চিকিৎসার কেন্দ্র, হাসপাতাল বা ক্লিনিক হোক। যেখানে তারা সাহস করে নিজের  প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রবেশ করে  প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারে। 

৩. একটি ফান্ড গড়ে উঠুক : একটি ফান্ড গড়ে উঠুক সরকারি -বেসরকারি উদ্যোগে। যেখান থেকে এই সকল কর্মজীবি বা পথ শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রয়োজনীয় সহযোতিা নিশ্চিত করা সহজ হয়। 

৪. ওদের জন্য চাই নির্ধারিত স্পোর্টস জোন: কর্মশেষে ওরা যেন আনন্দে মেতে উঠতে পারে এ জন্য শুধু ওদের জন্য আলাদা স্পোটর্স জোন হোক। যেখানে ওরা ওদের মত করে  আনন্দে মেতে উঠতে পারে। কেন এটি প্রয়োজন? জীবনের মূল স্রোতে থাকা অনেক সুবিধা হয়তো ওদের জন্যও খোলা আছে। কিন্তু ওরাতো নিজেরাই জীবনের মূল থেকে কিছুটা বিছিন্ন। ওরা তাই স্বাভাবিক পরিবেশে নিজেদেরকে মেলাতে পারেনা। বরং মনোসাইক্লোজ্যিক্যালজোনে ওরা এসব দেখে আরো হতাশ হয়ে যায়। যা কোন ভাবেই হতে দেয়া যায় না। তাই ওদেরকে ওদের মতা করে থাকতে দেয়ার মধ্যে রেখেই জীবনের মূল স্রোতে ফেরানোর চেষ্টার জন্য এ সব করতে হবে। আর তা করতে হবে নাগরিকের দায় বোধ থেকেই । 

দৈনিক কালের ছবি : আমরা জানি আপনি বাংলার শিশু পরিবার নামে একটি সামাজিক সংগঠনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।  শিশু কিশোরদের জন্য ভাল কিছু করার এই যে উদ্যোগ । কেন নিলেন এটি। 

সোনিয়া হোসেন : দেখুন, আমি শুধু একজন লেখক বা গবেষক না। আমি একজন মাও বটে। আমরা যে সমাজে বসবাস করি সেটি আমাদের সামাজিক বাস্তবতায় উচ্চ শ্রেণীতে পড়ে। আমি দেখেছি সমাজের নীচের অংশে যেমন সমস্যা আছে। আমাদের উচ্চ বিত্তের মাঝেও কিছু সমস্যা আছে।  নীচের অংশে হয়তো অর্থনৈতিক সংকটই বেশী। কিন্তু উচ্চ শ্রেণীর সমস্যাটাও প্রকট। সেটা হচ্ছে লোক লজ্জার ভয়, এবং  ভাল সংঘের অভাব। অর্থাৎ আমরা যেটা গুড এসোসিয়েশন বলি।

উচ্চ শ্রেণীর বাচ্চাদের জন্য এটা বেশ জটিল একটা সমস্যা।  যা উভয় কুলে বাচ্চাদের ক্ষতি হচ্ছে।  আপনি হিসেব মেলালে দেখতে পাবেন, কেউ ধংশ হচ্ছে অর্থের  অভাবে। আবার কেউ ধংশ হচ্ছে অর্থের আধিক্ষ্যে। কিন্তু মোট যোগ ফলে আমরা আমাদের  সম্ভাবনার সন্তানদের ধংশই শুধু দেখছি। এই বাস্তবতায় আমার মনে হয়েছে শিশু কিশোরদের যার যার জন্য সুযোগ তৈরীর পাশাপাশি তাদের জন্য ভাল বন্ধুত্ব গড়ে দিতেও অভিভাবকদের দায় রয়েছে। আপনি ভাবুন কোন কারণে একজন সন্তান মাদকের নেশায় আসক্ত হলো।

পরিবারের টাকা আছে। তাকে দেশে বা বিদেশে চিকিৎসা করে আনা হলো। এখন সে ফিরে এসে যদি আবারো সেই পুরনো সংঘে মিশে যায়! তাহলে সব শেষ। এ কারণে এমন একটি সংগঠন দরকার, যেখানে ভালোর চর্চা হবে, ভালোর প্রতিযোগিতা হবে। এখানে এলে কেউ আর  ধংশের পথে হাটবে না। সাংগঠনিক কাঠামোই তা নিশ্চিত করবে। 


দৈনিক কালের ছবি : কী  রেখে যেতে চাচ্ছেন 

 সোনিয়া হোসেন : একটি সুন্দর উদ্যোগ আর সুন্দর চর্চার একটি কাঠামো। যা বয়ে চলবে আপন গতিতে। 

দৈনিক কালের ছবি : আপনার শুভ উদ্যোগের পাশাপাশি আপনার সুন্দর চিন্তার সফলতা কামনা করছি । 

সোনিয়া হোসেন : আসুন আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর শিশুবান্ধব পরিবেশ গড়তে কাজ করি। কারণ শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। ওরাই আগামী দিনে এগিয়ে নেবে সমাজ, দেশ ও জাতিকে। আসুন আমরা সমর্থবান সবাই অনন্ত একজন শিশুর দায়িত্ব নেই। আর সরকার ও সমাজ কাঠামো শিশূ-কিশোরদের ব্যাপারে উদার হোক।  মহান মে দিবসের এই শুভ ক্ষণে এটাই কামনা।

দৈনিক কালের ছবি : আমাদেরকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। 

   সোনিয়া হোসেন :  আমার কথা শোনার জন্য আপনাদের বিশেষ ধন্যবাদ জানাই। আসুন আমরা সবাই মিলে কাজ করি।  মনে রাখুন, এই সমাজ এই দেশ আমাদের সবার। 

দৈনিক কালের ছবি : আপনি এ সময় কবি সুকান্তের “ এ পৃথিবীকে শিশুর বাস যোগ্য করে যাব আমি, নব জাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গিকার” এ  কবিতাটি স্মরণ করবেন

   সোনিয়া হোসেন : হ্যা অবশ্যই। তবে তার সাথে আমার একটি কবিতা  যোগ করতে চাই 

মাদক বিরোধী অভিযান

মাদক বিরোধী অভিযানে নেমে ,

আজ নিজেই আস্থা হারাতে বসেছি নিজের পরে।

পারব কি আমি বাচাঁতে 

আমাদের সবার প্রিয় সন্তান,নতুন প্রজন্মকে?

নিছক খেলার ছলে অথবা 

দুঃখ ভরা মনে অথবা

ক্ষিদের  নেশা মেটাতে,

কখন যে সবুজ মন শিশু, জড়িয়ে গেছে নেশাতে

কে ফেরাবে তাদের ঘরেতে?

একদিন দুইদিন করে, স্বপ্নের ঘোরে হারিয়ে যায় তারা

ধীরে ধীরে কঙ্কালসার হয় দেহখানা

চোখ দুটি চলে যায় কুঠোরে 

শুধু ঘুমের ঘোরে পড়ে থাকে তারা এ জীবন থেকে, বাঁচাতে হবে যে তাদের 

আমাদের সবার

ওরাই যে এ জাতির স্বপ্ন এ দায়িত্ব সবার। 


দৈনিক কালের ছবি : আপনার জন্য অনেক শুভ কামনা। 

  সোনিয়া হোসেন : আপনাদের জন্যও। 


মন্ত্রীপাড়ার বাড়ীতে যখন সাক্ষাৎকার নেয়া শেষ হলো তখন সবাই  আবেগ আপ্লুত। রান্নার ব্যস্ততা দেখিয়ে আমাদের সামনে থেকে বিদায় নিতে ব্যবস্ততা দেখালেন কোমল হৃদয়ের শিশুবান্ধব লেখিকা। কিন্তু এতক্ষণের কথা, গল্পে আর কবিতায় তিনি যে আবেগ সম্বরণের খানিকটা নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন তা কারো দৃষ্টি এড়ালো না। সকল শিশুকে নিজের সন্তানের মতো করে ভাবার যে অসাধারণ মানসিতা হয়তো সেটাই তাকে আবেগ আপ্লুত করেছে। আমরা মন্ত্রীবাড়ীর বিশাল পরিসরের লনে রাখা আমাদের স্টিকার লাগানো গাড়ীতে উঠে বসলাম। গাড়ী চলল কর্মস্থলের দিকে। কিন্তু আমরা অনেকক্ষণ হারিয়ে রইলাম শিশুদের জন্য সর্বদা  শুভ চিন্তায় স্নেহকাতর মাতৃসম মুখখানার অবয়বে। 


সাক্ষাৎকার গ্রহণ :  জাহিদুল ইসলাম শিশির, সম্পাদক দৈনিক কালের ছবি

সাথে ছিলেন      : মোহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রিন্স

                      শিশু সংগঠক, পদ্মকুঁিড় কালচারাল ফাউন্ডেশন

                      মোঃ আব্দুর রহমান,প্রতিনিধি এশিয়ান টেলিভিশন

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম