ঢাকা ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দু গ্রুপের টানাটানিতে অতিষ্ঠ মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের অভিযোগ ( গাজীপুর) তদন্তের দাবি শত কোটি টাকার কাগুজে নদী খননের অভিযোগ তছলিমার সাফল্যের গল্প নান্দাইলে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও পরিচয় সভা অনুষ্ঠিত অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম তুললেন রুপা বেগম সৈয়দপুর—শুরু হলো স্থায়ী ডিভাইডার বসানো তার পিছু ছুটে যাও— আলোয় ফেরার আহ্বান: জ্ঞান, হালাল রিজিক ও কবুলযোগ্য আমল।

গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তাদের লেকেজ সনাক্তের নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির নিউজ করায় সাংবাদিকের বিরোদ্ধে মামলা

#

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  7:06 PM

news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির কর্মকর্তাদের লেকেজ সনাক্তের নামে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি, শিরোনামে নিউজ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ঘাটুরা বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির লেকেজ সনাক্তের নামে চলছে লাখ লাখ টাকার চাঁদা বাণিজ্য।

এনিয়ে গত গত-০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সময় বেলা ১ টা হতে ২:৩০ মিনিট।

সরকারী কর্মকর্তা কে সরকারি কাজে বাধা ও বল প্রয়োগ এবং চুরির ঘটনা উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

মামলায় সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদ নামের একজন কে ও যুক্ত করা হয়েছে যা সত্যি লজ্জা এবং দুঃখজনক ব্যাপার।

এবিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির ইনচার্জ মুশফিক কে জনসম্মুখে জিজ্ঞেস করলে। সে জানায় তাদের কোনো কর্মকর্তা কর্মচারি কারো কাছ থেকে টাকা পয়সা চাইনি, বা নেইনি বলে সাংবসদিকদের জানান।

জনমনে প্রশ্নের যেনো শেষ নেই, সবার মনেই একটা প্রশ্ন বাখরাবাদ তিতাস গ্যাস কম্পানির লেকেজ সনাক্তের নামে তাহলে কারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরশহরের পূর্ব মেড্ডা-২ নং ওয়ার্ডে দুপুর ১টা হতে ২:৩০ মিনিটের দিকে লেকেজ সনাক্তের নামে এলাকায় বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির লেকেজ সনাক্তের নামে একটি সংঘবদ্ধ শক্তিশালী চক্র এলাকায় প্রবেশ করেন এবং টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়ার ও অভিযোগ তুলেন।

এমন অভিযোগ পেয়ে সংবাদ সংগ্ৰহে এলে সাংবাদিক ইয়াসিন মাহমুদ সহ অত্র এলাকার-৫ জনকে আসামি করে অজ্ঞাত আরো-২০ জন কে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে ভোক্তভোগীদের কাছ থেকে লেকেজ সনাক্তের নামে কারো কাছ থেকে-১০ হাজার টাকা কারো কাছে-৫ হাজার টাকা-কারো কাছ থেকে-৩ হাজার টাকা করে টাকা চাঁদা দাবি করেন। ঘুস দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলেই নেমে আসে  অমানবিক নির্যাতন। যেমন গ্যাসের মাথা খুলে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

গ্যাসের মাথা খুলে নিলে তো কথাই নেই, বহুগুণ টাকা দিয়ে মাথা ছাড়িয়ে আনতে হয়। এতে করে ভোগান্তি যেনো বেড়েই চলে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম