ঢাকা ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দু গ্রুপের টানাটানিতে অতিষ্ঠ মোহাম্মদপুর টাউনহল কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীরা অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের অভিযোগ ( গাজীপুর) তদন্তের দাবি শত কোটি টাকার কাগুজে নদী খননের অভিযোগ তছলিমার সাফল্যের গল্প নান্দাইলে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও পরিচয় সভা অনুষ্ঠিত অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ফরম তুললেন রুপা বেগম সৈয়দপুর—শুরু হলো স্থায়ী ডিভাইডার বসানো তার পিছু ছুটে যাও— আলোয় ফেরার আহ্বান: জ্ঞান, হালাল রিজিক ও কবুলযোগ্য আমল।

গণপূর্তে টক অবদ্যা টাইম : উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন

#

বিশেষ প্রতিবেদক

১৩ অক্টোবর, ২০২৫,  4:34 PM

news image


* বসিয়েছেন প্রকাশ্য ঘুষের হাট 

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ নতুন কোন বিষয় নয়। ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিসিএস ডিগ্রীধারী প্রকৌশলী সকলেই একই সূত্রে গাঁথা। একজন ডিপ্লোমাধারী প্রকৌশলী তিনি প্রকাশ্যে ঘুষ নেন ঠিকাদারের নিকট থেকে অথচ তার কোন বিচার হয় না।

ঠিকাদার ও প্রকৌশলী দু’জনই সমান অপরাধী। কারণ ঠিকাদার ঘুষের বিনিময়ে কাজ না করেই বিল তুলে নেয় সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সহায়তায়।গণপূর্ত ই এম-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক উক্ত বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী খালেক আকন্দ ঠিকাদারের নিকট থেকে ১০ (দশ) লক্ষ টাকার ঘুষ গ্রহণ করেন যার প্রামানিক  ভিডিও দৈনিক কালের ছবির  হাতে রয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে একজন ঠিকাদার উক্ত উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর রুমে গিয়ে ঠিকাদারের সাথে ঘুষের ব্যাপারে দেনদরবার করছে। 

একটি ভিডিওতে বলতে শোন যাচ্ছে, ‘স্যার আপনি ১০ লাখ চেয়েছিলেন ১০ লাখ-ই দিয়েছি স্যার।’ এখানেতো আহামরি কোন টাকার মাল নাই স্যার। মালটি আপনি পৌঁছে দিয়েন স্যার। এখানে কাকে কি দিয়েছি তা তো বলে লাভ নাই স্যার। আপনি তো আপনারটা পুরোপুরি বুঝে পেয়েছেন স্যার।

ঘটনাটি সামনে আসায় নানাভাবে গণমাধ্যমকে হুমকী প্রদান করছে আব্দুল  খালেকের লোকজন। তারা বলার চেষ্টা করছেন ভিডিওটি এ আই দেযে তৈরী! সূত্র বলছে বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসার পর প্রকৌশলী আবদুল খালেক আকন এর সাথে ঠিকাদারের সমঝোতা হয়েছে।  ডিপার্টমেন্টকেও ম্যানেজ করার চেষ্টা চলছে। 

এ প্রসঙ্গে ই-এম বিভাগ-৩ এর নির্বাহী প্রকৌশলী এস, এম, ময়নুল হক এর নিকট গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে  জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে এড়িয়ে যান। সংশ্লিষ্ট ই-এম বিভাগ-৩ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হুমায়রাকে ফোন দিলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি। 


logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম