ঢাকা ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বরুড়া ওসির প্রশ্রয়ে চলছে মাটি লুট যৌথবাহিনীর সন্ত্রাসী আটককে “নাটক ” মনে করেন তিনি যাত্রাবাড়ীর এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা যশোরে অস্ত্রের মুখে ব্যবসায়ীকে অপহরণ রাজধানী চন্দ্রিমা মডেল টাউনে রাজউকের অনুমোদন বিহীন ব্যাঙেরছাতার মতো ১০ ও ১৫ তলা ভবন গড়ে উঠেছে ডেমরায় ভবন নির্মাণ কাজে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকি : থানায় জিডি শুরু হলো প্রিমিয়াম হোল্ডিং পিঠা উৎসব ও আবাসন মেলা কদমতলীতে নোঙর প্রকল্পে সন্ত্রাসী হুমকি: নিরাপত্তাহীনতায় পরিবার শ্মশানের নামের দ্বদ্বে, মরদেহ সৎকারে বাধার অভিযোগ রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা জকসু নির্বাচন : ভোট গ্রহণ চলছে মানিকনগর থানা পুলিশের নাকের ডগায় চলছে রমরমা মাদক ব্যবসা

"হোটেল রংধনু" ঘিরে সক্রিয় দেহ ও মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেট

#

সিরাজ বিন আবদুল্লাহ

০৫ নভেম্বর, ২০২৫,  1:39 PM

news image


রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিনাঞ্চলের প্রধান প্রবেশ পথ যাত্রাবাড়ীতে লোকাল রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রছায়ায় দিনের আলোতে হোটেল রংধনুতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন কলেজের ছাত্রী এবং পেশাদার মেয়ে দিয়ে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা, এবং সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই মদ গাঁজাঁ ইয়াবা ফেন্সিডিল এর আসর।


এনিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী দের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে, তাদের অভিযোগ, সন্ধা ঘনিয়ে আসলেই হোটেলের আসেপাশে উর্তি বয়সী ছেলে মেয়ে এবং মাদকাসক্ত লোকের আনাগোনা অনেক বেড়ে যায়।

রাত যত গভীর হয় রংধনু হোটেলের ছাদে কিশোর গ্যাং এর আড্ডা এবং নারী নিয়ে উশৃংখলতা বেড়ে যায়। আরো অভিযোগ রয়েছে, রংধনু হোটেলে আড্ডা দেওয়া কিশোর গ্যাং গভীর রাতে একা চলাচল রত যাত্রী দের রংধনু হোটেলে নিয়ে ছিনতাই করে সব নিয়ে যায়। এই মাদক ব্যবসা এবং ছিনতাই পরিচালিত করে 'নাহিদ' আর নাহিদকে ছত্রছায়া দিয়ে রাখে তথাকথিত আল-আমিনের স্পেশাল ম্যানেজার মাসুদ।



হোটেল মালিক আল-আমিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে কোনো সঠিক উত্তর না দিয়ে হোটেল ম্যানেজার এর সাথে যোগাযোগ করতে বলে।


তথ্য সুত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে রংধনু হোটেল আওয়ামিলীগ নেতা জমিদার আল-আমিনের নিয়ন্ত্রণে চলতো, ইতোপুর্বে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে জমিদার আল-আমির মদক এবং পিস্তল সহ এরেস্ট হওয়ার পর এই আল-আমিন রংধনু হোটেলের হাল ধরে এবং জমিদার আল আমিনের মতো একই ব্যবসা শুরু করে।

হোটেলের পাশেই অবস্থিত সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "মেট্রোপলিটন স্কুল এন্ড কলেজ" সচেতন মহলের একটাই কথা, কলেজের পাশের ভবনে যদি মাদকদ্রব্য এবং নারী ব্যবসা চলে, তাহলে আমাদের কোমলমতি সন্তানরা কি শিক্ষা অর্জন করবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে এই সব অপকর্ম চলতে থাকলে এই জাতি ধ্বংস হতে বেশি সময় লাগবে না। 


জনমনে প্রশ্ন, প্রশাসনের নাকের ডগায় এইসব অবৈধ নারী এবং মাদক ইয়াবা ব্যবসা কি করে হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম