ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ব্রিক সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : অংশ নেবে না বাংাদেশের কোন প্রতিনিধি বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বিটিএম ফেয়ারে চীনের উন্নত চিকিৎসার তথ্য তুলে ধরেন স্টেলা চ্যান ও এমএম মাসুমুজ্জামান চনপাড়ার অপরাধজগতের নেপথ্যে মোক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ (পর্ব-১) ক্রিসেন্ট লেকে পোনা ছাড়া নিয়ে কন্টেন্ট : মৎসজীবি দলের ক্ষোভ অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন এগোবে না: ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে : রিজভী

১৬ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক মাধ্যম নিষিদ্ধের উদ্যোগ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ আগস্ট, ২০২৬,  9:05 PM

news image



নিউজিল্যান্ডে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এ লক্ষ্যে পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপন করবে প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সনের দল। প্রস্তাবিত আইনে নিষেধাজ্ঞা না মানলে সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মকে তাদের বৈশ্বিক আয়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হতে পারে।

২৪ আগস্ট এক বিবৃতিতে লাক্সন বলেন, নিউজিল্যান্ডের একটি প্রজন্মের শিশুদের যে ক্ষতি হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট, আসক্তিকর প্রযুক্তি এবং এমন নানা চাপের মুখে ফেলছে, যা মোকাবিলার জন্য তারা এখনো প্রস্তুত নয়। এর প্রভাব তাদের পারিবারিক জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য, ঘুম ও শিক্ষার ওপরও পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রস্তাবিত আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের জন্য ‘যুক্তিসংগত পদক্ষেপ’ নিতে বলা হবে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান অ্যাকাউন্টের তথ্য, মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল পরিচয়পত্র ব্যবহারের সুযোগ রাখা হতে পারে।


তবে বিলটি পার্লামেন্টে পাস করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন পাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। লাক্সনের জোটের অন্যতম শরিক নিউজিল্যান্ড ফার্স্ট পার্টি ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত আইনের বিরোধিতা করার কথা জানিয়েছে।

দলটির নেতা ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, প্রস্তাবিত আইন এবং এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। তার মতে, এ ধরনের আইন দেশকে এমন একটি পথে নিয়ে যেতে পারে, যার পরিণতি পরে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

গত বছরের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়া ১৬ বছরের কম বয়সিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর মাধ্যমে দেশটি বিশ্বে প্রথমবারের মতো এ ধরনের জাতীয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করে। টিকটক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হয়।


তবে পিটার্স অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতাকে ‘বড় ধরনের ব্যর্থতা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখার প্রধান দায়িত্ব বাবা-মায়ের।


অন্যদিকে লাক্সন স্বীকার করেছেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে না। সব শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে। অনেকেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার উপায় খুঁজে নিতে পারে। তারপরও শিশুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়টি এত গুরুত্বপূর্ণ যে সরকারকে অন্তত উদ্যোগটি নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম