ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ব্রিক সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : অংশ নেবে না বাংাদেশের কোন প্রতিনিধি বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বিটিএম ফেয়ারে চীনের উন্নত চিকিৎসার তথ্য তুলে ধরেন স্টেলা চ্যান ও এমএম মাসুমুজ্জামান চনপাড়ার অপরাধজগতের নেপথ্যে মোক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ (পর্ব-১) ক্রিসেন্ট লেকে পোনা ছাড়া নিয়ে কন্টেন্ট : মৎসজীবি দলের ক্ষোভ অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন এগোবে না: ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে : রিজভী

রাজধানী চন্দ্রিমা মডেল টাউনে রাজউকের অনুমোদন বিহীন ব্যাঙেরছাতার মতো ১০ ও ১৫ তলা ভবন গড়ে উঠেছে

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ জানুয়ারি, ২০২৬,  1:03 PM

news image



স্টাফ রির্পোটারঃঢাকা মোহাম্মদপুরে চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটিতে রাজউকের প্লান ব্যতীত ম্যাপ নামে এক ভূয়া ডেভেলপার কোম্পানি নাম দিয়ে অবৈধভাবে ১০ তলা ৫ টি ভবন নির্মাণ করে চড়া দামে ফ্ল্যাট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে|

চন্দ্রিমা মডেল টাউনের রাজউকের প্লানের বিষয়ে ঐ এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত ইন্সপেক্টর মেহেরাবকে ফোন করা হলে সে জানাই ব্লিডিং প্লান দূরের কথা সেখানে ছাড়পত্র দেওয়ায় নিষেধ রয়েছে।

চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটির এই অবৈধ ভবন গুলি রাজউকের ঢাকা চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটির আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক ব্যক্তি ভূয়া ম্যাপ ডেভেলপার কোম্পানি নাম দিয়ে রাজউকের প্লান ব্যতীত ৫ টি ১০ তলা ভবন নির্মাণ করে গ্রাহকের কাছে প্রতিটি ফ্ল্যাট ৬৫ লাখ থেকে ৭০ লাখ টাকা বিক্রি করে

অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে গিয়েছে।তুরাগ নদীর সরকারি খাস জমিতে বালু দিয়ে ভরাট করে চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটি গড়ে তোলে। চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটির প্রতিটি ভবন ভূমিকম্পের হুমকিতে রয়েছে।চন্দ্রিমা সোসাইটিতে রাজউকের ছাড়পত্র ও প্লান নিষিদ্ধ রয়েছে।

রাজউকের প্লান ও ছাড়পত্র নিষিদ্ধ থাকার পরেও আব্দুল্লাহ আল মামুন নিয়ম নীতি ভঙ্গ করে ১০ তলা ৫ টি ভবন নির্মাণ করে জনগণের কাছে ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতরনা করছে ।

চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটির সি ব্লকের ১নং রোডের ১নং হাউজ,সি ব্লকের ১০ রোডের ১৩ হাউজ,ডি ব্লকের ৪ রোডের ২৭৫ হাউজ, গ্রিন সিটির ১ রোডের ২৩ হাউজসহ বিভিন্ন হাউজিং এর কাজ নিজের ইচ্ছা মতো প্লান করে ভবন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

নদী ভরাটের বালু মাটির উপর নির্মিত ভবন গুলি ভূমিকম্পের মাধ্যমে ধসে গিয়ে প্রাণহানি হলে এই দায় ভার কে নিবে। চন্দ্রিমা হাউজিং সোসাইটির চলমান ভবনের কাজগুলি রাজউক থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ড্রেজার মাধ্যমে  ভেঙ্গে দেওয়ার জন্য একান্ত দরকার।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম