ঢাকা ২৮ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নতুন বিতর্কে গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব প্রশিক্ষণের মান নিশ্চিত ও প্রশিক্ষণার্থী পুনরাবৃত্তি রোধে সমন্বিত তথ্যব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব টেন্ডারের প্রমাণ নেই:তদন্ত প্রতিবেদনও গোপন হাসানুজ্জামান এর বিরুদ্ধে দূর্নীতির বড় অভিযোগ বনার্তদের মাঝে বৃহত্তর নোয়াখালী কল্যাণ সমিতির ত্রান বিতরণ বিএসইসি (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫ সংশোধনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে ডিবিএ পাথর নিক্ষেপ নাকি ছদ্মবেশী রেকি (Recce): ভেরি হাইপ্রোফাইল নিরাপত্তা ও অপরাধতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ বাংলার ভেনিস বরিশালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপিকে সুস্বাগতম শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ঘোষণা: বিচারিক জবাবদিহিতা ও আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি

যশোরের চৌগাছার ঐতিহ্যবাহী পীর বলুহ দেওয়ানের মেলা ঘিরে উচ্ছাস

#

এস.কে রায় যশোর

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  1:55 PM

news image


যশোর প্রতিনিধি: মঙ্গলবার শুরু হবে যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হাজরাখানা পীর বলুহ দেওয়ানের মেলা। বিগত সাড়ে তিনশো বছর ধরে চলে আসছে এই বলুহ মেলা। যশোরের চৌগাছা উপজেলার পীর বলু দেওয়ান বাংলার সুফি, সাধক, পীর আওলিয়া,

ফকির দরবেশদের ইতিহাসের পাতায় স্থান পাওয়া একজন। প্রতি বাংলা বছরের ভাদ্র মাসের শেষ মঙ্গলবার যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে পীর বলুহ দেওয়ানের ৩ দিন ব্যপী ঔরস মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পীরের  আশেকান ভক্তরা মাজার শরীফে আগমন করে মাজার এলাকা মুখরিত করে তোলে। এই মাজারকে কেন্দ্র করে হাজরাখানা গ্রমে মেলা হয়ে থাকে। পীরের নামানুসারে এই মেলা বলু দেওয়ানের মেলা নামে পরিচিত। 

 চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামে পীর বলুহ দেওয়ান এলাকার সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছুটি বিশ্বাস বলে জানা যায়।

পিতার আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে বলুহ দেওয়ান মামার বাড়ী হাজরাখানা গ্রামে চলে আসেন। সেখানে তিনি বসবাস শুরু করেন। বলু দেওয়ান ছোট বেলা থেকেই একটু আধ্যাত্মিকতা মনা প্রকৃতির ছিলেন। তিনি কারো সাথে মেশা পছন্দ করতেন না।

তার জীবদশায় তিনি কিছু অলৌকিক ঘটনার জন্ম দেয়ার কারণে এলাকায় পীর উপাধী লাভ করেন। সেই সাথে বাংলার সুফি, সাধক, পীর আওলিয়া, ফকির দরবেশদের ইতিহাসের পাতায় স্থান পান তিনি। এলাকার ময় মুরুব্বীয়ানদের কাছ থেকে তার অলৌকিক ঘটনা সম্বন্ধে জানা যায়। এছাড়া চৌগাছার প্রখ্যাত নাট্যকার ও এলাকার ইতিহাস লিপিবদ্ধকার ও সাহিত্যিক প্রয়াত ডাঃ সিরাজুল ইসলাম তার প্রকাশিত বইয়ে তার অনেক অলেীকিক ঘটনার বর্ণনা দিয়ছেন।

কথিত আছে পীর বলুহ দেওয়ান ওফাতে যাবার আগে তার ভক্তদের ওছিয়াত করে যান। তাকে যেন কাঠের কফিনে ভরে কবর দেয়া হয়। ওফাতের পর তাঁর কথায় ভক্তরা শরীয়া অনুযায়ী  সকল কাজ সম্পন্ন করার পর কাঠের কফিনে করে চৌগাছার বুক চিরে বয়ে যাওয়া কপোতাক্ষ নদের তীরে হাজরাখানা মৌজায় দাফন ক্রিয়া সম্পন্ন করেন। কিছুদিন পর তিনি ভক্তদেরকে স্বপ্নে দেখান তাঁর লাশ নদী ভাঙনে নদীর গর্ভে চলে যাচ্ছে। আজই যেন তারা তাঁর লাশ সরিয়ে অন্যত্র দাফন করে।

  ভক্তরা পীরের দেখানো স্বপ্নের আদেশ অনুযায়ী করব খুঁড়ে অন্যত্র লাশ দাফনের সময় কফিন খুলে দেখে তাদের পীরের লাশ কফিনের ভীতর নেই। পীর বলুহ দেওয়ানের এমন অনেক অলৌকিক ঘটনার বিবরণ এলাকার ময় মুরুব্বীদের মুখে আলোচিত হতে শোনা যায়।

কথিত আছে প্রায় সাড়ে ৩ শত বছর পূর্বে পীর বলুহ দেওয়ান চৌগাছা উপজেলার হাজরাখানা গ্রামে আসেন। তাঁর অলৌকিক কেরামতির কারণে দিন দিন ভক্ত সংখ্যা বাড়তে থাকে।

তিনি ওফাতে যাওয়ার পর সাড়ে তিনশত বছর পূর্ব থেকে তার স্মরণে কপোতাক্ষ নদের পশ্চিম তীরে সমাহিত মাজার প্রাঙ্গণে ৩ দিন ব্যপী ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত হতো। সময় এং কালের বিবর্তনের সাথে সাথে মাজারের লোক সমাগম বাড়তে  থাকে। এই মাজারকে 

ঘরে ধীরে ধীরে মেলার বাজারে রূপান্তরিত হয়। পীর বলুহ দেওয়ানের উছিলায় মেলা বসার কারনে বাজারটি ‘বলুহ দেওয়ানের’ মেলা নামে পরিচিতি লাভ করে


logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম