ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ব্রিক সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : অংশ নেবে না বাংাদেশের কোন প্রতিনিধি বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বিটিএম ফেয়ারে চীনের উন্নত চিকিৎসার তথ্য তুলে ধরেন স্টেলা চ্যান ও এমএম মাসুমুজ্জামান চনপাড়ার অপরাধজগতের নেপথ্যে মোক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ (পর্ব-১) ক্রিসেন্ট লেকে পোনা ছাড়া নিয়ে কন্টেন্ট : মৎসজীবি দলের ক্ষোভ অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন এগোবে না: ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে : রিজভী

বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ আগস্ট, ২০২৬,  5:16 PM

news image


নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও আরও ৮২৬ জনের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে নিহতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই হিসাব পাওয়া গেছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো ৮২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে বাসিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ানে—১০৮টি। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বন্যায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও কঠিন হয়ে উঠেছে।

ভয়াবহ এই বন্যার সূত্রপাত হয় হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর। এর ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে এসে সীমান্তবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নেয়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আরও বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম