ঢাকা ০১ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দুদকের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে কর্মকর্তাদের হয়রানির অভিযোগ জেনারেল গ্রুপের নামে প্রকাশ্য নগদ টাকার হাট: কুম্ভনিদ্রায় দেশের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট পপুলার শনিরআখড়ায় হাসপাতালের নিউজ করায় সম্পাদককে ব্ল্যাকমেইল ও হত্যার হুমকি: ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে ২ লাখ টাকা দাবি দল নয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী: কথায় নয়, কাজেই প্রমাণ দিচ্ছেন তারেক রহমান বাঘারপাড়ায় সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ‎সরাইলে ১৪ বছরের শিশু মিমকে ধর্ষণের অভিযোগে মানববন্ধন, জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি গাজীপুর ছুরিকাঘাতে স্ত্রী মৃত্যু, স্বামী আটক উচ্চ রক্তচাপ মোকাবেলায় টেকসই অর্থায়নের আহ্বান: সাংবাদিক কর্মশালায় বক্তারা বৈচিত্র্যের মাঝে সহাবস্থান: ধর্মীয় উৎসবে আন্তঃধর্মীয় সৌহার্দ্য জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বর্তমান সময়ের বাংলাদেশ’ পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

বান ও ভূমিধস: নেপালে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ আগস্ট, ২০২৬,  5:16 PM

news image


নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকলেও আরও ৮২৬ জনের সঙ্গে এখনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অবি নারায়ণ কাফলে নিহতের সংখ্যা ২৮৯ জনে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই হিসাব পাওয়া গেছে।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (NDRRMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনো ৮২৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে বাসিন্দা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে চিতওয়ানে—১০৮টি। এছাড়া নওয়ালপরাসি ইস্টে ৬২, ধাদিংয়ে ২৭, গোরখায় ২০, রাসুয়ায় ১৭, নওয়ালপরাসি ওয়েস্টে ১৫, নুয়াকোটে ১২ এবং তানাহুনে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে সংঘটিত ভয়াবহ এই বন্যায় নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ভেসে গেছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রমও কঠিন হয়ে উঠেছে।

ভয়াবহ এই বন্যার সূত্রপাত হয় হিমালয় অঞ্চলে বরফ ও পাথরের বিশাল ধসের পর। এর ফলে নদীতে বিপুল পরিমাণ পানি, কাদা ও পাথর নেমে এসে সীমান্তবর্তী জনপদ, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নেয়। প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে হিমবাহ-সম্পর্কিত ধস ও ধ্বংসাবশেষের প্রবাহকেই প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

উদ্ধারকারীরা নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আরও বহু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সূত্র: কাঠমান্ডু পোস্ট।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম