ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ব্রিক সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : অংশ নেবে না বাংাদেশের কোন প্রতিনিধি বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বিটিএম ফেয়ারে চীনের উন্নত চিকিৎসার তথ্য তুলে ধরেন স্টেলা চ্যান ও এমএম মাসুমুজ্জামান চনপাড়ার অপরাধজগতের নেপথ্যে মোক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ (পর্ব-১) ক্রিসেন্ট লেকে পোনা ছাড়া নিয়ে কন্টেন্ট : মৎসজীবি দলের ক্ষোভ অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন এগোবে না: ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে : রিজভী

তমরদ্দি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ জুন, ২০২৬,  3:42 PM

news image


হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি হাই স্কুল–এর প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক প্রশাসনিক অনিয়ম, দায়িত্বে অবহেলা ও শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এক অভিভাবক।

অভিযোগকারী ইকবাল হোসেন (কালাম) জানান, তার দুই কন্যা বিদ্যালয়টিতে অধ্যয়নরত। তার দাবি অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় ১৩–১৪ বছর ধরে দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না, ফলে পাঠদান কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

লিখিত অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ২২ জুন দুপুর আনুমানিক ১টা ২০ মিনিটে তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষককে অনুপস্থিত পান।

পরে অন্যান্য শিক্ষকদের কাছ থেকেও এ বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।


এছাড়া অভিযোগে বলা হয়, বিদ্যালয়ের কিছু শ্রেণিকক্ষ ও নিচতলার অংশ ভাড়া দেওয়া হয়েছে, যার কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচল ও খেলাধুলার জায়গা সংকুচিত হয়ে শিক্ষার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


আরও অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল আদায় করা হয় এবং ভাড়াটিয়াদের ব্যবহৃত বিদ্যুতের ব্যয়ও শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো হচ্ছে—এমন তথ্য স্থানীয়ভাবে আলোচিত হলেও এর কোনো প্রশাসনিক তদন্ত বা নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।


স্থানীয় সূত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, অতীত সময়ে প্রধান শিক্ষক অফিস কক্ষে দীর্ঘ সময় অবস্থানের জন্য খাট বিছিয়ে রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ছিল। পাশাপাশি কিছু অনৈতিক অভিযোগও স্থানীয় পর্যায়ে শোনা গেলেও সেগুলোর স্বতন্ত্রভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।


অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় সাংবাদিকরা বিদ্যালয় পরিদর্শন করে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।

অভিভাবক ইকবাল হোসেন বলেন, “প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমরা চাই, বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাবুদ্দিনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রশাসনও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য দেয়নি।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম