ঢাকা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্টের রায় ব্রিক সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী : অংশ নেবে না বাংাদেশের কোন প্রতিনিধি বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বিটিএম ফেয়ারে চীনের উন্নত চিকিৎসার তথ্য তুলে ধরেন স্টেলা চ্যান ও এমএম মাসুমুজ্জামান চনপাড়ার অপরাধজগতের নেপথ্যে মোক্তারকে ঘিরে নানা অভিযোগ (পর্ব-১) ক্রিসেন্ট লেকে পোনা ছাড়া নিয়ে কন্টেন্ট : মৎসজীবি দলের ক্ষোভ অতীতে আটকে থাকলে উন্নয়ন এগোবে না: ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় মিললেই ভারত সফর করবেন তারেক রহমান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চার শর্ত পূরণ না করলে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হবে না : অর্থমন্ত্রী সরকার হাত গুটিয়ে বসে নেই, দ্রুত সব সংকটের সমাধান হবে : রিজভী

আশুগঞ্জ চর সোনারামপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে : ‎হুমকির মুখে জাতীয় গ্রিডের টাওয়ার

#

জাকির হোসেন জিকু

০৮ জুলাই, ২০২৬,  4:22 PM

news image



‎ প্রশাসনের নীরবতায় এলাকার জনগণের তীব্র  ক্ষোভ,সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় প্রতিটি উপজেলায় প্রশাসন নিয়োগ করলেও আশুগঞ্জের চর সোনারামপুরে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই চরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও চুরির মহোৎসব চললেও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনকভাবে নীরব রয়েছে। এতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল।

‎জাতীয় অর্থনীতির লাইফলাইন ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র হুমকির মুখে :

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সরেজমিনে দেখা গেছে, চর সোনারামপুর থেকে প্রতিদিন প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে বালু লুটে নিচ্ছে। এর ফলে পুরো চর এলাকা এখন ধসের মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এই বালু চুরির কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং জাতীয় গ্রিডের ৩৩ হাজার কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি প্রধান টাওয়ার ও খুঁটি চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

‎সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় এই টাওয়ারগুলো নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। যার ফলে উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে দেশের অপূরণীয় অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র আশুগঞ্জ নদীবন্দর, আশুগঞ্জ বাজার, স্থানীয় ফসলি জমি এবং চরের মানুষের ঘরবাড়ি, মসজিদ ও শ্মশানঘাট এখন ধসের দ্বারপ্রান্তে।

‎জনমনে প্রশ্ন ও ক্ষোভ:

‎রাষ্ট্রীয় ও জনগণের সম্পদ রক্ষা এবং অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ায় দমনের দায়িত্ব যেখানে প্রশাসনের, সেখানে এই প্রকাশ্য অপরাধের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ আশুগঞ্জবাসী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন একটাই প্রশ্ন—এই অবৈধ বালু মহালের খোঁজ এবং জাতীয় স্থাপনা ধ্বংসের এই চিত্র কি ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নজরে পড়ে না? নাকি জেনেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করছেন? জাতি ও আশুগঞ্জবাসী আজ এর জবাব চায়।

‎দ্রুত পদক্ষেপের দাবি: 

‎চরের অস্তিত্ব রক্ষা এবং বিদ্যুৎ লাইনের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষার্থে অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করার দাবি উঠেছে। একই সাথে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আশুগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ জাহিদুল ইসলাম